সূত্র
অসমোলারিটি অণু নয়, দ্রবীভূত কণা গোনে। প্রতিটি দ্রবের মোলার ঘনমাত্রাকে সেটি যত কণায় ভাঙে, i, তা দিয়ে গুণ করে ফলগুলো যোগ করুন:
অসমোলারিটি (Osm/L) = Σ (মোলারিটি × i)
| দ্রব | কণা (i) |
|---|---|
| গ্লুকোজ, সুক্রোজ, ইউরিয়া, গ্লিসারল | 1 |
| NaCl, KCl, NaHCO3 | 2 |
| CaCl2, MgCl2, Na2SO4 | 3 |
ফল সাধারণত প্রতি লিটারে মিলিঅসমোল, mOsm/L, এককে দেওয়া হয়।
উদাহরণ: 0.9% স্যালাইন
- 0.9% w/v মানে প্রতি লিটারে 9 g।
- 9 ÷ 58.44 g/mol = 0.154 mol/L, অর্থাৎ 154 mM।
- NaCl 2টি আয়নে ভাঙে: 154 × 2 = 308 mOsm/L।
উদাহরণ: 5% ডেক্সট্রোজ
50 g/L ÷ 180.16 g/mol = 0.278 mol/L। গ্লুকোজ বিয়োজিত হয় না, তাই অসমোলারিটি 278 mOsm/L।
উদাহরণ: প্লাজমা
ক্লিনিকে সিরাম অসমোলালিটি সোডিয়াম, গ্লুকোজ আর ইউরিয়া থেকে আন্দাজ করা হয়:
2 × Na (mmol/L) + গ্লুকোজ (mg/dL) ÷ 18 + BUN (mg/dL) ÷ 2.8
Na 140, গ্লুকোজ 90 mg/dL আর BUN 14 mg/dL হলে: 280 + 5 + 5 = 290 mOsm/kg। mmol/L এককে 2 × Na + গ্লুকোজ + ইউরিয়া নিন। স্বাভাবিক পরিসর প্রায় 275–295। মাপা মান আন্দাজের চেয়ে অনেক বেশি হলে, অর্থাৎ অসমোলাল গ্যাপ প্রায় 10-এর বেশি হলে, তা ইথানল, মিথানল বা ইথিলিন গ্লাইকলের মতো না-মাপা কোনো দ্রবের দিকে ইঙ্গিত করে।
মাপা মান কেন কম আসে
দ্রবণে আয়নগুলো পুরোপুরি আলাদাভাবে আচরণ করে না, তাই 0.9% স্যালাইন 308 নয়, প্রায় 286 mOsm-এর মতো আচরণ করে। এই অনুপাতকে অসমোটিক সহগ বলে, এই ঘনমাত্রায় NaCl-এর জন্য প্রায় 0.93। ওপরের সূত্র আদর্শ মান দেয়; অসমোমিটার দেয় আসল মান।
অসমোলারিটি আর অসমোলালিটি
অসমোলারিটি প্রতি লিটার দ্রবণে, অসমোলালিটি প্রতি কিলোগ্রাম পানিতে। প্লাজমার মতো লঘু দ্রবণে দুটো সংখ্যা প্রায় সমান। অসমোমিটার মাপে অসমোলালিটি, যা তাপমাত্রার সাথে বদলায় না।
টনিসিটি
অসমোলারিটি বলে দ্রবণে কতগুলো কণা আছে; টনিসিটি বলে দ্রবণটি কোষের সাথে কী করে। ইউরিয়ার মতো যে দ্রব ঝিল্লি পেরিয়ে যায়, সেটি অসমোলারিটিতে গোনা হয় কিন্তু টনিসিটিতে নয়। 5% ডেক্সট্রোজ দেওয়ার সময় আইসো-অসমোটিক, কিন্তু কোষ গ্লুকোজ নিয়ে নিলে হাইপোটনিক হয়ে যায়।
হিসাবের টুল
অসমোলারিটির হিসাব যেকোনো দ্রবের মিশ্রণ যোগ করে। গ্রাম প্রতি লিটারকে আগে মোলারিটির হিসাব দিয়ে, বা শতাংশকে শতকরা দ্রবণের হিসাব দিয়ে মোলারিটিতে বদলে নিন।