রিফ্রেশ হারের পরখ
আপনার রিফ্রেশ হার কীভাবে পরখ করবেন
- পরখটি নিজে নিজেই শুরু হয় আর দুই সেকেন্ড ধরে মাপে।
- মাপা হারটি Hz-এ চলে আসে, সঙ্গে ফ্রেমের সময় আর ফ্রেমগুলো কতটা স্থির তাও।
- কোনো সেটিং বদলানোর পর “আবার মাপুন”-এ ক্লিক করুন, কিংবা মসৃণতাটি নিজের চোখেই দেখতে চলমান দণ্ডটি দেখান।
সাধারণ প্রশ্ন
হারটি কীভাবে মাপা হয়?
ব্রাউজার দুটি নড়াচড়ার ফ্রেমের মাঝে কত সময় নেয় তার হিসাব করে, আর মধ্যমা ফাঁকটি নেওয়া হয়, যাতে এদিক-ওদিক দেরি হওয়া ফ্রেম বাদ পড়ে যায়। ব্রাউজার যে পর্দায় আছে তার রিফ্রেশ হারেই আঁকে, তাই ওই ফাঁকটিই রিফ্রেশের বিরতি।
এটি একটু এলোমেলো, যেমন 59.9 Hz, কেন?
কারণ পর্দার ঘড়ি ঠিক গোল সংখ্যায় চলে না, আর মাপটি ছোট একটি দফার গড়। কোনো আদর্শ হারের প্রায় 1 Hz-এর মধ্যে ফল এলে বুঝবেন পর্দা ওই হারেই চলছে।
আমার মনিটরে যা বসানো আছে তার চেয়ে এটি কম কেন?
চেনা কারণগুলো: জানালাটি কম হারের দ্বিতীয় একটি পর্দায় আছে, ব্রাউজারের জানালাটি সামনে নেই, বিদ্যুৎ বাঁচানোর বা ব্যাটারির কোনো ধরন হারটি নামিয়ে দিয়েছে, কিংবা ব্রাউজারের কোনো সেটিং ফ্রেম বেঁধে রেখেছে। কিছু ল্যাপটপ ব্যাটারিতে প্যানেলটিকে 60 Hz-এ নামিয়েও দেয়।
উঁচু রিফ্রেশ হারে কিছু এসে যায়?
চলমান ছবির বেলায়, হ্যাঁ: 60 Hz-এর তুলনায় 120 Hz একটি ফ্রেম পর্দায় যতক্ষণ বসে থাকে তা অর্ধেক করে দেয়, যা স্ক্রল আর গেমকে মসৃণ দেখায় আর নড়াচড়ার ঘোলাটে ভাব কমায়। স্থির লেখায় এতে কিছুই বদলায় না।
ফ্রেমগুলোর মাঝের ছড়ানোটির মানে কী?
ওই দফায় সবচেয়ে ধীর আর সবচেয়ে দ্রুত ফ্রেমের তফাত, একেবারে চরমগুলো বাদ দিয়ে। কম সংখ্যা মানে স্থির হার; বড় সংখ্যা মানে ফ্রেম পড়ে যাচ্ছে, যা হেঁচকির মতো লাগে।